সেফ হোমে দু’দিন পড়ে রইল করোনা রোগীর দেহ

0
93

মেট্রো লাইভ নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন রাজ্যে শতাধিক করোনা রোগীর মৃত্যু হচ্ছে। সংক্রমণের আশঙ্কায় রাজ্যবাসী এই মুহূর্তে আতঙ্কে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে করোনা আক্রান্তদের তাদের প্রিয়জনরাও অচ্ছুত করে দিচ্ছেন। মারা গেলে, তাঁদের দেহ সৎকারে কোনও আগ্রহ দেখাচ্ছে না পরিবারের সদস্যরা। দুই প্রান্তে এমন ঘটনার সাক্ষী থাকল রাজ্য।

সাতগাছিয়া বিধানসভার অন্তর্গত বজবজ ২ নম্বর ব্লকের চড়ারায়পুরের একটি সেফ হোমে দু’দিন পড়ে রইল করোনা আক্রান্তের দেহ। এগিয়ে এলনা তাঁর পরিবার। সঞ্জয় ভক্ত নামের এক ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হলে সেফ হোমের আবাসিক হন। সোমবার রাত আড়াইটা নাগাদ সঞ্জয়ের মৃত্যু হয়। সঞ্জয়ের পরিবারের সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। করোনা টেস্টের কাগজপত্র সৎকারের জন্য প্রয়োজন। কিন্তু সঞ্জয়ের পরিবার সেফ হোমের সঙ্গে কোনও যোগাযোগই করে নি। যার জেরে সঞ্জয়ের দেহ দু’দিন পড়ে থাকল সেফ হোমে। পরে প্রশাসনের উদ্যোগে তাঁর দেহ সৎকার করা হয়।

অন্য দিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের বুরাল অঞ্চলে করোনা রোগীর মৃত্যুর ১২ ঘণ্টা পরেও সরকারি হাসপাতালে পড়ে করোনায় মৃতের দেহ। গ্রামীন হাসপাতালে মঙ্গলবার দুপুর থেকে বুধবার বিকেল পর্যন্ত পড়ে রইল করোনা আক্রান্তের দেহ। জানা গেছে বারজগু এলাকার বাসিন্দা দিলীপ আদক গ্রামীন হাসপাতালে ভর্তি হন। বেশ কয়েকদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। মঙ্গলবার তাঁর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসে। রিপোর্টে জানা যায় তিনি করোনা পজিটিভ। মঙ্গলবার দুপুর থেকে তাঁর শ্বাসকষ্ট হয়। সেই সময় তাঁকে সবংয়ের গ্রামীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর খবর পেয়েও দেহ নিয়ে যেতে রাজি হননি বাড়ির লোকেরা। এক্ষেত্রে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গতকাল দুপুরে একজন করোনায় মৃত্যু হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে