শীতলকুচি কাণ্ডে দ্বিতীয়বার হাজিরা এড়ালো ছয় সিআইএসএফ জওয়ান

0
209

মেট্রোলাইভ নিউজ ডেস্ক: এই নিয়ে দ্বিতীয়বার।শীতলকুচি কাণ্ডে হাজিরা এড়ালো সিআইএসএফ এর ছয় জওয়ান। সিআইডি’র ডাকে ৩ অগস্ট সোমবার ভবানী ভবনে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাদের। কিন্তু ইমেল মারফৎ তারা সিআইডিকে জানিয়েছে, তাদের সাতদিন সময় দেওয়া হোক।

শীতলকুচিকাণ্ডে ৬ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানকে নথি নিয়ে তলব করা হয়েছিল ভবানী ভবন। ২ আগষ্ট রবিবার এবং ৩ আগষ্ট সোমবার তিনজন করে মোট ছ’জন জওয়ানকে সিআইডি ডেকে পাঠায়। এই তালিকায় দু’জন অফিসার এবং চার জন কনস্টেবল রয়েছেন। সিআইডি সূত্রের খবর, ঘটনার দিন কোন অস্ত্র ব্যবহার হয়েছে সেই সংক্রান্ত নথি দেখতে চেয়েছে তদন্তকারীরা। একই সঙ্গে তারা জানতে চেয়েছে, ঘটনার দিন এই ছয় জনের কে কোথায় কোন দায়িত্বে ছিলেন। নথি নিয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।

এর আগেও সাক্ষী হিসাবে ছয় জওয়ানকে ডাকা হয়েছিল। অভিযোগ, সকলেই ভবানী ভবনের এই তলব এড়িয়ে যান। এরই মধ্যে দ্বিতীয়বার তথ্য চাওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীকে তলব করা হলেও হাজির হল না কেউ। তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শপথ গ্রহণ করেন, সেদিনই শীতলকুচিকাণ্ডের তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দেন। সিট তদন্তের শুরুতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর ছয় জওয়ান ও দু’জন অফিসারকে তলব করা হয়। ডাকা হয় মাথাভাঙা থানার সাব ইন্সপেক্টরকেও। একইসঙ্গে কোচবিহারের প্রাক্তন এসপিকেও ডেকে পাঠানো হয়।

চতুর্থ দফার ভোটের দিন সকাল থেকেই শিরোনামে ছিল শীতলকুচি। রাত থেকে কড়া প্রহরা চলছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী, পুলিশের। নজর ছিল কমিশনের। তবুও হিংসা রোখা সম্ভব হয়নি। সকালেই ভোটের লাইনে পাঠানটুলিতে গুলিতে আনন্দ বর্মন নামে তেইশ বছরের এক তরুণের মৃত্যু হয়। তার ঘণ্টা খানেকের খবর আসে মাথাভাঙা ও শীতলকুচির মধ্যবর্তী এলাকা জোরপাটকিতে গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাতে চার জনের মৃত্যু হয়। গোটা ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে