জয় শ্রীরাম ধ্বনী নিয়ে অসহিষ্ণুতা ইস্যুতে বিদ্বজ্জনদের চিঠি প্রসঙ্গে আবারও বিস্ফোরক সায়ন্তন বসু

0
301

আবারও বিস্ফোরক বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। শুক্রবার হুগলির গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা কর্মসূচির পাশাপশি জেলা পুলিশ সুপারের অফিসে একটি স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসে একদিকে যেমন শাসকদল তৃণমূলকে নিশানা করেন সায়ন্তন তেমনি জয় শ্রীরাম নিয়ে অসহিষ্ণুতা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি পাঠানোর প্রসঙ্গ তুলে স্বাক্ষরকারী সেই বাংলার বিদ্বজ্জনদেরও একযোগে তুলোধনা করেন তিনি। নিজের বক্তৃতায় বরাবরই বিতর্কে জড়িয়েছেন এই বিজেপি নেতা। কিন্তু আজ যা বললেন তাতে ইতিমধ্যেই নিন্দার ঝড় উঠতে শুরু করেছে  রাজনৈতিকমহলে। এদিন নিজের বক্তৃতায় সায়ন্তন বলেন, এরা ভাড়ায় খাটা বুদ্ধিজীবী। মদের বোতলে বিক্রি হয়। মমতা ব্যানার্জী ফোন করে সন্ধেবেলায় একটা বোতল ধরিয়ে দিলে ওরা তৃনমূলের হয়ে লাফালাফি করে। বিজেপি কর্মি খুন হলে এদের চোখে জল আসে না। এই বুদ্ধিজীবীরা টাকায় বিক্রি হয়, মদের বোতলে বিক্রি হয়, আরো বিভিন্ন ভাবে বিক্রি হয়। তাই এদের গুরুত্ব দেবেন না। বিজেপি এদের কথার গুরুত্ব দেয় না।বিজেপি শ্রমিক কৃষকের কথার গুরুত্ব দেয়।

 

 

তার আগে তৃণমূলকে নিশানা করেন তিনি। বলেন, তৃনমূল কংগ্রেস হুগলি জেলায় একটি আসনও যাতে জিততে না পারে তার ব্যাবস্থা করব। ১৮ টি আসন জিতেছি শুধু তাই নয়। আরামবাগ আসনও আমাদের জোর করে হারিয়ে দিয়েছে। এর প্রতিশোধ নেবো আগামী বিধানসভা নির্বাচনে।শান্তিপূর্ন ভাবে বিক্ষোভ দেখান কারন আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে এই বিল্ডিং এই রাস্তা এই পুলিশেরই ব্যবহার করতে হবে আমাদের। চাইলে একটা দুটো থানা আমরা জালিয়ে দিতে পারি,চাইলে একটা দুটো তৃনমূল কর্মিকে মেরে হাড়গোড় ভেঙে দিতে পারি। একটু সবুর করুন। সবুরে মেওয়া ফলে। তিনি আরও বলেন, পুলিশ অফিসাররা টাকা তোলে আর ভাইপোর বাড়ি পাঠায়। বিজেপি কর্মিদের গাঁজা কেস দেয়। ক্ষমতায় এসে সেই কেসের টাকা পুলিশের মাইনে থেকে কাটা হবে।

 

 

আজ হুগলি গ্রামীন পুলিশ সুপারের অফিসে বিক্ষোভ দেখাতে এসে এই ভাবেভাবেই রাজ্যর শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসেকে একের পর এক হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি রাজ্য নেতা সায়ন্তন বসু। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মথ্যা মামলায় ফাঁসানো এবং হুগলি জেলায় আইন- শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পাশাপশি একগুচ্ছ দাবিতে আজ পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করে হুগলি জেলা বিজেপি। সেখানেই যোগদেন সায়ন্তন বসু।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে